লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি সুলতান ----
লক্ষ্মীপুর জেলায় মাদক ব্যবসা চুরি ডাকাতি ছিনতাই ইভটিজিং বৃদ্ধি পেয়েছে বলে চ্যানেল ও দেশের প্রথম সারি বাংলার সময় সময়সহ সংবাদ মাধ্যমের সংবাদ ইতিপূর্বে প্রচার হয়েছে।
এ সকল বিষয়ে প্রথমে কলমের মাধ্যমে সংবাদ প্রচার ও প্রতিবাদ করে সাংবাদিকরা সমাজের নেতা সুলতান।
পুলিশএ সকল বিষয়ে কার্যতা ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে আজ নিরাপত্তায়হীনতায় রয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলায় সাংবাদিকরা।
লক্ষীপুর পিয়ারাপুর এলাকার মৃত সুজামিয়া পুত্র ইসমাইল দীর্ঘদিন থেকে থেকে মাদক বিক্রি করে আসছি।
মাদক নিয়ে ও ইয়াবা নিয়ে কয়েকবার গ্রেফতার হয়েও আইনটি বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে মাদক বিক্রি করে আসছে সুজা মিয়ার পুত্র ইসমাইল।
লক্ষ্মীপুর হাসপাতাল সড়ক ও শ্রীরামপুর এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করে।
এমন সংবাদ সাংবাদিকরা সংবাদ প্রচার করে।
পুলিশ তার বিষয়ে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তার সাথে আড্ডায় লিখতে হয় তার দোকানে মাতৃমঙ্গলের সামনে।
যার সুলতান মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করে তারা নিরাপত্তায় হুমকির মধ্যে পড়ে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান বলেন
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে সামনে ছেলেকে নিয়ে ঔষধ কিনতে গেলে ইসমাইলের দ্বারা একজন সাংবাদিক হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়।
এবং তার বিরুদ্ধে সংবাদ বদ্ধ করার জন্য মোবাইলে হুমকি ও বাড়িতে গিয়ে হুমকির দেয়।
অদ্যবতী পর্যন্ত পুলিশ ইসমাইলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ মন্ত্রীগণ মাদক আইন পরিবর্তন করলেও হতাশায় ভুগছিলেন অভিভাবকরা।
মূলত অবস্থায় পুলিশের নাটকীয় অভিযানের সুফল পাচ্ছে না এ দেশের সুশীল সমাজ ও অন্যায়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর সুলতান।
সংবাদ বিশ্লেষকদের দাবি এখনই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে প্রতিবাদ করার মত কেউ থাকবে না।
সংস্থার চেয়ারম্যান আরো বলেন এরা এত সাহস পায় কই এখনি শিকড় মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে নয়তো মাদকের নাটকীয় অভিযান বন্ধ করতে হবে।
সম্পাদক: শারমিন চৌধুরী, প্রকাশক: সুলতান ইয়াছিন আরাফাত।
Copyright © 2026 বাংলার সময়. All rights reserved.